কুয়েট খুলে দেয়ার দাবি
ছাত্রদের কোটা সংস্কার আন্দোলনের ফলে সব বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস বন্ধ ঘোষণা করেছিল ইউজিসি। সে অনুযায়ী অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়েরও (কুয়েট) সব শিক্ষা কার্যক্রম ১৭ জুলাই বন্ধ ঘোষণা করা হয়। কুয়েটের জরুরি সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সব শিক্ষা কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় কবে ক্যাম্পাস খুলবে এবং পরীক্ষা কবে অনুষ্ঠিত হবে, এ নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন শিক্ষার্থীরা। তারা সেশনজটের আশঙ্কা করছেন।
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এনার্জি সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় শঙ্কা প্রকাশ করে তারা বলেন, আর কিছুদিন পরই স্নাতক শেষ হয়ে যাবে, তারপর চাকরিতে প্রবেশ করব, পরিবারের দায়িত্ব নেব, এমন কত স্বপ্ন ছিল। কিন্তু চলমান পরিস্থিতি সেই স্বপ্নের পথে দেয়াল হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
একজন শিক্ষার্থী বলেন, এখন ক্যাম্পাস বন্ধ, পরীক্ষা স্থগিত। কবে পরীক্ষা হবে আর কবে স্নাতক শেষ হবে, সেই চিন্তায় আছি। আমাদের কুয়েট ক্যাম্পাস খুলনা শহর থেকে বেশ দূরে অবস্থিত, এখানে কোনো ধরনের অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। তবুও ক্যাম্পাস বন্ধ। আমরা হলে ফিরতে পারছি না। এতে করে আমাদের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ক্যাম্পাস বন্ধ থাকা, পরীক্ষা না হওয়ায় আমাদের স্নাতক শেষ করতে দেরি হচ্ছে, চাকরির বাজারে আমরা পিছিয়ে যাচ্ছি। অনেকেই উচ্চশিক্ষার জন্য বাইরে যেতে চান, তাদেরও বিলম্ব হচ্ছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের চাওয়া একটিই, ক্যাম্পাস খুলে দেওয়া হোক, বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে আবারও শুরু হোক।
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এনার্জি সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মাহমুদুল আলম এ বিষয়ে বলেছেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণস্পন্দন শিক্ষার্থীরা। আমরা আশা করি, সব দিক বিবেচনা করে শিগগিরই বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়া হবে, নিয়মিত একাডেমিক কার্যক্রম চালু হবে এবং শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে নিরাপদভাবে বিচরণ করবে।







